Ads

চলমান নতুন পোস্ট

এক কথায় প্রকাশ বা বাক্যসংকোচন। Recent Q&A // MCQ tes 2020-2021

 

যখন দুই বা ততােধিক পদকে সংক্ষেপ করে একটি মাত্র পদে পরিবর্তন করা হয়, তখন তাকে এক কথায় প্রকাশ বা বাক্যসংকোচন। 
নিচে এক কথায়  প্রকাশ বা বাক্য সংকোচনের উদাহরণ দেয়া হলাে : 

 অ

অল্প বয়স যার-অল্পবয়স্ক 👈

অতি শীতও নয় অতি গ্রীষ্মও নয় - নাতিশীতােষ্ণ 👈

অভ্র লেহন করে যে - অভ্রংলেহী 👈

অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা – প্রত্যুদ্গমন 👈

অনায়াসে লাভ করা যায় যা - অনায়াসলভ্য 👈

অক্ষির সম্মুখে – প্রত্যক্ষ 👈

অক্ষির সমীপে - সমক্ষ 👈

অকালে পেকেছে যে - অকালপক্ব 👈

অন্ন ভক্ষণ করে যে প্রাণ ধারণ করে – অন্নগতপ্রাণ 👈

অশ্বের (ঘােড়ার) ডাক - হ্রেষা 👈

অগ্রে জন্মেছে যে - অগ্রজ 👈

অক্ষির অগােচরে-- পরােক্ষ 👈

অতি দীর্ঘ নয় – নীতিদীর্ঘ 👈

অহংকার নেই যার – নিরহংকার 👈

অনেকের মধ্যে একজন--অন্যতম 👈

আপনাকে যে হত্যা করে-- আত্মহত্যা 👈

অনুসন্ধান করার ইচ্ছা - অনুসন্ধিৎসা 👈

অনুকরণ করবার ইচ্ছা – অনুচিকীর্ষা

অন্য ভাষায় পরিবর্তিত – রূপান্তরিত/অনূদিত। 👈

অভিজ্ঞতার অভাব যার – অনভিজ্ঞ 👈

অনুতে(পশ্চাতে/পরে) জন্মগ্রহণ করেছে যে - অনুজ 👈

অপকার করবার ইচ্ছা – অপচিকীর্ষা 👈

অরিকে দমন করে যে -অরিন্দম 👈

অহংকার করে যে - অহংকারী 👈

অনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক যে -অনুসন্ধিৎসু 👈

অর্ধ নেই যার-- নিরর্থক 👈

অসম সাহস যার – অসমসাহসিক 👈

অপত্য হতে বিবেচনা না করে – অপত্যনির্বিশেষে 👈

অন্য দেশ - দেশান্তর 👈

অন্য বারে - বারান্তর 👈

অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা না করে কাজ করে যে--অবিমৃষ্যকারী 👈

অশ্ব-রথ-হস্তী-পদাতিক সৈন্যের সমাহার -অবশ্যই যা হবে – অবশ্যম্ভাবী


অন্য গ্রাম - গ্রামান্তর 👈

অর্থ নেই যার -নিরর্ধক 👈

 অস্ত্রের দ্বারা অপচার -- অস্ত্রোপচার 👈

অনুকরণ করতে ইচ্ছুক-- অনুচিকীর্ষ 👈

অল্প কথা বলে যে - অল্পভাষী 👈

অশ্বে আরােহণ করে যে ব্যক্তি – অশ্বারােহী 👈

অনুমান করা যায় না যা - অননুমেয় 👈

অন্য দিক মন যায় যার – অন্যমনস্ক 👈

অন্য উপায় নেই যার - অন্যন্যোপায় 👈

অন্য সহায় নেই যার --অনন্যসহায় 👈

অন্য গতি নেই যার – অনন্যগতি 👈

অন্য গাছের উপর জন্মে যে গাছ - পরগাছা 👈

অন্যদিকে মন দেয় না বা মন নাই যার - অনন্যমনা 👈

অন্ত নাই যার - অনন্ত 👈

অস্তে গমন করে যে - অস্তগামী 👈

অতে গমন করে যে – অন্তগামী 👈

অন্তিম কাল উপস্থিত হয়েছে যার – মুমূর্য 👈

অন্তে বাস করে যে - অন্তবাসী 👈

অপরের দোষ খুঁজে বেড়ায় যে – ছিদ্রান্বেষী 👈

অব্যক্ত মধু যে ধ্বনি – কলতান 👈

অমৃতের মতাে কাজ করে যা - অমৃতায়ন 👈

অগ্রে বর্তমান যে - অগ্রবর্তী 👈

অকালে যে বােধন (জাগরণ) - অকালবােধন 👈

অসম্ভব কান্ড ঘটাতে অতিশয় সুনিপুণ/পটু- অঘটনঘটন পটিয়সী 👈

অবসরের অভাব - অনবসর 👈

অগ্রে দান করে যে (ব্রাহ্মণ) - অগ্রদানী 👈

অন্য লিপিতে রূপান্তর – লিপান্তর 👈

অস্থায়ীভাবে বাস করবার মতাে স্থান - বাসা 👈

অহং (আত্ম) সম্বন্ধে অতি চেতনার ভাব – অহমিকা 👈

 

আকাশে চরে বেড়ায় যে – আকাশচারী/খেচর

আকাশে গমন করে যে -বিহগ/বিহঙ্গ।

আকাশের মতাে রঙ যার – আকাশী

আসমানের মতাে রং যার –আসমানি

আপনাকে পন্ডিত মনে করে যে – পন্ডিতম্মন্য

আপনাকে ভুলে থাকে যে –আত্মভােলা

আপনার বর্ণ বা রং লুকায় যে –বর্ণচোরা

 আপনাকে কৃতার্থ মনে করেন যে - কৃতাৰ্থমন্য

আপাত দৃষ্টিতে যা মধুর বলে মনে হয় – আপাতমধুর

আপনাকে কেন্দ্র করেই যার চিন্তা – আত্মচিন্তা

আচরণের যােগ্য – আচরণীয়

আচারে নিষ্ঠা আছে যার – আচারনিষ্ঠ

আট মাস মাতৃগর্ভে থেকে জন্মে যে – আটাশে/আটমাসী

আট প্রহরে যা পরা যায় (বা ব্যবহৃত) – আটপৌরে

আঠাযুক্ত যা – আঠালাে

আতপ হতে ত্রাণ করে যা – আতপত্র (ছাতা)

আতপে শুক - আতপশুষ্ক

আত্মার সম্বন্ধীয় – আত্মীয়/আধ্যাত্মিক

আদব (কায়দা) জানে না যে – বেয়াদব

আদর (মায়া) জানে যে – অমায়িক

আরাধনার যােগ্য - আরাধ্য

আদরের সহিত/সাথে (বর্তমান) – সাদরে

আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত - আদ্যন্ত

আনন্দ প্রদান (দান) করে যে - আনন্দদায়ী/আনন্দপ্রদ

আঁধারের সন্ধিক্ষণে - গােধূলি

আমিষের অভাব - নিরামিষ।।

আয় অনুসারে যে ব্যয় করে - মিতব্যয়ী

আমিষ আহার করে না যে - নিরামিষাশী

আমাদের নিজ দেশে যা - দেশীয়, স্বদেশি

আপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা – আত্মকেন্দ্রিক

আল্লাহ্র অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার – আস্তিক

আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার – নাস্তিক

আজ্ঞার অনুবর্ত যে - আজ্ঞানুবর্তী

আহারে সংযম আছে যার - মিতাহারী

আমার তুল্য – সাদৃশ

আয়ুর পক্ষে হিতকর - আয়ুষ্য

 

ইহার তুল্য – ঈদৃশ

ইন্দ্রকে জয় করেছে যে - ইন্দ্রজিৎ

ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে - জিতেন্দ্রিয়

ইহলােক যা সামান্য নয় – অলােকসামান্য

ইতরের পুত্র - ঐতরেয়

ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি - ইতিহাসবেত্তা

ইতিহাস রচনা করেন যিনি - ঐতিহাসিক

ইতিহাস জানেন যিনি - ইতিহাসবেত্তা/ইতিবৃত্তকার

ইউরােপ সম্বন্ধীয় - ইউরােপীয়

ইতিমধ্যকার ঘটনা - ইদানিং


ঈশ্বরে বিশ্বাস আছে যার - আস্তিক।

ঈশ্বরে যার বিশ্বাস নেই নাস্তিক

ঈষৎ রুগণ - রােগাটে

ঈষৎ আমিষ গন্ধ যার - আঁশটে

ঈষৎ উষ্ণ যা - ঈষদুষ্ণ

ঈষৎ ঊন যা - ঈষদূন

ঈষৎ শিক্ষিত যা - শিক্ষিতকল্প

ঈষৎ নত - আনত

ঈষৎ লাল - লালচে

ঈষৎ রক্তিম - রক্তিমাভ

ঈমানের অভাব/ঈমান নেই যার - বেঈমান

এক মানুষের শাসন কলাতে অন্য মানুষের শাসন কালারম্ভ - মন্বন্তর।

একই পঙক্তিতে বা সারিতে বসবাস অযােগ্য যা - অপাঙক্লেয়

এর তুল্য – ঈদৃশ

এখন ভস্মে পরিণত হয়েছে – ভস্মীভূত

একক/একই সময়ে – যুগপৎ

একই সময়ে বর্তমান - সমসাময়িক

একই মায়ের সন্তান (পুত্র) যারা – সহােদর

একই সঙ্গে পাঠ করে যারা - সহপাঠী

একই গুরুর শিষ্য যারা – সতীর্থ

এক বিষয়ে নিবিষ্ট বা নিবিড় চিত্ত/

চিন্তা যার -একাগ্রচিত্ত

এই পর্যন্ত যার দাড়িগোফ জন্মায় নাই – অজাতশশু

এ পর্যন্ত যার শত্রু জন্মায় নাই/জন্মেনি – অজাতশত্রু

এক থেকে আরম্ভ করে – একাদিক্রমে

এক সঙ্গে কাজ করে যে - সহকর্মী

একই স্বামীর পত্নী – সপত্নী

এক কম আছে, যাতে - একোন

এই মাত্র প্রসব করেছে যে - সদ্যপ্রসূতি

এক দিকে চোখ যার - একচোখা

উপকার করার/করবার ইচ্ছা - উপচিকীর্ষা

উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে - কৃতজ্ঞ

উপকারীর অপকার করে যে - কৃতঘ্ন

উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে – অকৃতজ্ঞ

উপকারীর উপকার করে.যে – প্রত্যুপকারী

উভয় হাত চলে যার – সব্যসাচী

উচ্চাকাঙ্ক্ষা যার - উচ্চাকাঙক্ষী

উচ্চারণ করতে কষ্ট হয় যা – দুরুচ্চার্য

উদরই সব যার - উদরসর্বস্ব

উড়ে যাচ্ছে যা - উড্ডীয়মান

উর্বর নয় যা – অনূর্বর

উপকার করতে ইচ্ছুক - উপচিকীর্য

উপকারীর উপকার স্বীকার করা - কৃতজ্ঞতা

উপকারীর উপকার স্বীকার না করা – অকৃতজ্ঞতা

উন নাভিতে যার – ঊর্ণনাভ

উপন্যাস লিখেন যিনি – ঔপন্যাসিক

উপায় নেই যার - নিরুপায়

উপস্থিত বুদ্ধি আছে যার – প্রত্যুৎপন্নমতি


ঋণ আছে যার - ঋণী

ঋণ নেই যার - অঋণী

ঋষির দ্বারা উক্ত - আর্য

ঋষির তুল্য – ঋষিকল্প

 

কোথাও নত কোথাও উন্নত/কোথাও উঁচু কোথাও নিচু - বন্ধুর

কাতর না হয়ে - অকাতর

কম বয়স যার – কমবয়সী

কুশের অগ্রভাগের ন্যায় সূক্ষ্ম বুদ্ধি যার – কুশাগ্ৰধী

কূলের সমীপে - উপকূল

কণ্ঠ পর্যন্ত বিস্তৃত – আকণ্ঠ

কণ্ঠের সমীপে - উপকণ্ঠ

কাজে কর্মে অতিশয় কুশল - কর্মঠ

কর দান করে যে - করদ

কুরুর বংশজাত – কৌরব

কষ্টে নিবারণ করা যায় যা - দুর্নিবার

কষ্টে অতিক্রম করা যায় যা - দুরতিক্রম্য

কষ্টে গমন করা যায় যেখানে - দুর্গম

কষ্টে জয় করা হয় যা - দুর্জয়

কষ্টে লাভ করা যায় যা - দুর্লভ

কথায় যা বর্ণনা করা যায় না - অবর্ণনীয়

কথায় যার বর্ণনা করা যায় না - অনির্বচনীয়

কোথাও থেকে/হতে ভয় নেই যার - অকুতােভয়

কোনাে কিছুতে ভয় নেই যার - অকুতােভয়

কাকের শব্দ – ক্লেংকার

কর্ণ পর্যন্ত – আকর্ণ

কোকিলের ডাক - কুহু

কবিতা লিখেন যিনি - কবি

কুৎসিত আকৃতি যার - কদাকার

কুক্তির পুত্র – কৌন্তেয়।।

কৈশোের হতে - আকৈশাের

কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না - অনিবার্য

কেহই জানতে পারে না এমন ভাবে – অজ্ঞাতসারে

কর্ম সম্পাদনে অতিশয় কুশল - কর্মকুশল

কষ্টে শাসন করা যায় যা - দুঃশাসন

কোনটা দিক কোনটা বিদিক এ জ্ঞান নেই যার – দ্বিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য

কর্মের অধিনায়ক যে - কর্মাধ্যক্ষ



 খাইবার ইচ্ছা - ক্ষুধা

খাওয়ার/খাবার যােগ্য - খাদ্য

খাওয়ার জন্য যে খরচ - খাই-খরচ

খুন করেছে যে – খুনী

খুব ঠাণ্ডাও নয় খুব গরমও নয় – নাতিশীতােষ্ণ

খেলায় দক্ষ/পটু যে – খেলােয়াড়

খ্যাতি আছে যার - খ্যাতিমান

খেয়া পার করে যে - পাটনী

খুব দীর্ঘ নয় যা - নীতিদীর্ঘ

খাক বা মাটির রং যার - খাকি

খরচের হিসাব নেই যার - বেহিসাবী

গলায় যে ফঁসি দিয়ে মারা যায় – ফাঁসুড়ে

গাজার নেশা করে যে - গেঁজেল

গােপন করার যােগ্য – গােপনীয়

গৃহিণীর কাজ – গিন্নিপনা

গ্রহণ করার যােগ্য - গ্ৰণযােগ্য/গ্রাহ্য

গ্রহণ বা স্বীকার না করা - প্রত্যাখান

গৃহে গৃহে ভিক্ষা করে যে - মাধুকরী

গণপতির উপাসক – গাণপত্য

গভীর রাত্রি - নিশীথ

গন্ধ যার ভালাে - সুগন্ধ

গুরুর পত্নী : গুর্বী

গৃহে থাকে যে – গৃহিণী/গৃহস্থ

গ্রামে বাস করে যে – গ্রামবাসী

গ্রামে প্রস্তুত বা তৈরি - গ্ৰাম্য

গমন করে না যে - নগ

গলায় কাপড় দিয়ে - গলবস্তু

গভীর ধ্বনি – মন্ত্র

গাছে পাকা – গাছপাকা

গাছ হতে পাড়া – গাছপাড়া

গ্রীবা যার সুন্দর – সুগ্রীব

গঙ্গার অপত্য (পুত্র, কন্যা বা বংশধর) - গায়ে

গােপন (নিন্দা) করবার ইচ্ছা – জুগুপ্সা

গণনা করেন যিনি - গণক

গােলাপের মতাে রং যার – গােলাপী

গােপনে যে নারী প্রিয়জনের সঙ্গে মিলিত হয় – অভিসারিণী

গাড়ি চালায় যে – গাড়ােয়ান

গােলা নিক্ষেপ করে যে - গােলন্দাজ

গাে-র ন্যায় বেচারী - গােবেচারী

ঘনিয়ে আসছে – ঘনায়মান

ঘৃণায় যােগ্য – ঘৃণা/ঘৃণ্য

ঘােড়ার ডাক - হ্রেষা

ঘর সম্বন্ধীয় – ঘরােয়া

ঘটকের কাজ - ঘটকালী

ঘূর্ণিত হচ্ছে যা – ঘূর্ণায়মান

ঘুমিয়ে আছে যে/যা = সুপ্ত

ঘরে পালিত জামাই - ঘরজামাই

ঘােড়ার ঘাস কাটে যে – ঘেসেড়া

ঘর নেই যার - হাঘরে

ঘর্ষণ বা পেষণজাত গন্ধ – পরিমল

ঘরে ঘরে – প্রতিঘরে বা ঘরপিছু

ঘি মাখা ভাত - ঘিভাত

ঘটতে পারে যা – ঘটনীয়

ঘূতের অল্প গন্ধ যাতে - ঘৃতগন্ধি

ঘুমাচ্ছে যে - ঘুমত

 

চক্ষু দ্বারা গৃহীত বা চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত – চাক্ষুষ

চিবিয়ে খেতে হয় যা/চর্বণ করে খাওয়া যায় যা–চর্ব

চন্দ্র চূড়াতে যার – চন্দ্রচূড়

চক্ষু লজ্জা যার নেই – চশমখাের

চুষে খেতে হয় যা - চোষ্য

চলার শক্তি - চলচ্ছক্তি

চলে এমন - চলমান

চোখের সম্মুখে - প্রত্যক্ষ

চোখে লজ্জা নেই যার - বেহায়া

চারদিকে সীমা – পরিসীমা

চারদিকেই পটুতা আছে যার – চৌকষ

চৈত্র মাসের ফসল - চৈতালি

চাটু করে যে – চাটুকার

চাদের মতাে বা ন্যায় – চাঁদপনা

চিন্তার অতীত – অচিন্তনীয়/চিন্তাতীত

চিরকাল ধরে স্থায়ী – চিরস্থায়ী/অবিনশ্বর

চিরকাল স্থায়ী নয় যা - নশ্বর

চেটে (চাটিয়া) খাওয়া হয় যা - লেহ্য

চোখের নিমেষ না ফেলে – অনিমেষ।

চোখে দেখা যায় যা - প্রত্যক্ষ

চোরা কারবার করে যে - চোরাকারবারী

 

ছল করে কাদা – মায়াকান্না

ছায়া প্রধান করে যে তরু - ছায়াতরু

ছেলে ধরে যে - ছেলেধরা

ছুড়ে ফেলা হয় যা – নিক্ষিপ্ত

ছােট ছােট গাছ - গুল্ম

ছিদ্র অন্বেষণ করে যে – ছিদ্রান্বেষী

 

জজের বৃত্তি - জজিয়তি

জটা আছে যার – জটাধারী

জন্ম হতে অন্ধ - জন্মান্ধ

জন্ম থেকে জন হতে শুরু করে - আজন্ম

জন্মে নাই যে - অজ

জয়ের জন্য যে উৎসব – বিজয়ােৎসব/জয়ন্তী

জানবার ইচ্ছা – জিজ্ঞাসা

জানু পর্যন্ত লম্বিত - আজানুলম্বিত

জানা আছে যা - জ্ঞাত

জানা নেই যা - অজ্ঞাত

জীবিত/জীবন থেকেও মৃত - জীবন্ত

জীবন পর্যন্ত - আজীবন

জয় করবার/করার ইচ্ছা - জিগীষা

জয় করতে ইচ্ছুক - জিগীষু

জলে চরে যে - জলচর

জল ও স্থলে চরে যে - উভচর

জলে জাত (জন্মে) যা - জলজ

জ্বল জ্বল করছে যা - জাজ্বল্যমান

জানা যায় যা দ্বারা - বিদ্যা

জানতে ইচ্ছুক - জিজ্ঞাসু

জায়া ও পতি – দম্পতি

জন্মগ্রহণ করেছে যে - জাতক

জনরব শুনে যে হাজির হয় - রবাহূত

জয় করা হয়েছে যাকে – বিজিত

জয় সূচনা করে এরূপ তিথি – জয়ন্তী

জুয়া খেলে যে – জুয়াড়ী

জলে আর্দ্র যে ভূমি – জলাভূমি

জলটুকু যে উপবাসে পান করা নিষিদ্ধ – নিরন্থ

জাগে যুবতী যার – যুবজানি

জ্যোতিষ শাস্তু জানেন যিনি - জ্যোতিষী

জনকের কন্যা – জানকী

জল বেষ্টিত ভূ-ভাগ – দ্বীপ

জল দ্বারা ব্যাপ্ত – জলময়

জ্ঞান নাই যার –জ্ঞানী

জ্ঞান আছে যার - জ্ঞানী।

জীব-জন্তুর মৃতদেহ ফেলা হয় যেখানে – ভাগাড়

জোড়ায় জন্মেছে যারা – যমজ।

ঝুলে পড়েছে যা - ঝুলন্ত

ঝগড়া করতে যে অভ্যস্ত - ঝগড়াটে।।

ঝন ঝন শব্দ - ঝংকার
 

ডাক আনা নেয়া করে যে - ডাক-হরকরা

ডুবে যাচ্ছে যা – 'ডুবনন্ত |

ঢাকার তৈরি (প্রস্তুত) - ঢাকাই

ঢাক বাজায় যে – ঢাকী
তল স্পর্শ করা যায় না যার - অতলস্পশী/অতলস্পর্শ
তীর ছুড়ে যে - তীরন্দাজ

তিনটি ফলের সমাহার - ত্রিফলা

ত্বরায় গমন করে যে - তুরগ/তুরঞ্জাম

তমঃ দূর করে যে - তমােহ/তামানাশ

তন্তু দ্বারা বয়ন করে যে - তন্তুবায়/তাতি

তুলার তৈরি - তুলট

তামার মতাে রং যার – তামাটে।

তিন রাস্তার সমাহার – তেমুহনী

তবলা বাজায় যে – তবলচি

তার মতাে – তাদৃশ

তার অপেক্ষা অধিক – ততােধিক

তৃণাদি খেয়ে জীবনধারণ করে যে – তৃণভােজী

তিন রাস্তার মিলন যেখানে - তেমাথা

তিন মােহনার মিলন যেখানে – তেমােহনা

দেখার ইচ্ছা -দিদৃক্ষা

দিবসের প্রথম ভাগ - পূর্বাত্ন

দিবসের মধ্যভাগ – মধ্যাহ্ন

দিবসের শেষ ভাগ - অপরাহ

দ্বি-অধিক দশ - দ্বাদশ

দীপ্তি পাচ্ছে যা - দীপ্যমান

দুয়ের মধ্যে এক – অন্যতর/একতর

অনেকের মধ্যে এক – অন্যতম

দুবার জন্ম হয়েছে যার - দ্বিজ

দুইবার ফসল হয় যে জমিতে – দোফসলী

দয়া নেই যার – নির্দয়

দর্শনে যিনি পারদর্শী – দার্শনিক

দমন করা যায় না যা - অদম্য

দেখা পায় নি যা – অদৃষ্ট

দেখা যাচ্ছে যা - দৃশ্যমান

দখ করা যায় না যা - অদাহ্য

দার পরিগ্রহ করে নি যে - অকৃতদার

দমন করা কষ্টকর যা – দুর্দমনীয়

দিনে একবার আহার করে যে – একাহারী

দুইয়ের মধ্যে একটা – অন্যতম

দাড়ি জন্মে নি যার – অজাতশ্মশু

দেখতে যে সুন্দর - প্রিয়দর্শন

দিনের আলাে ও সন্ধ্যার অন্ধকারের সন্ধিক্ষণ – গােধূলি

দেহে, মনে ও কথায় – কায়মনােবাক্যে

দুই মনুর শাসনের সন্ধিকাল - মন্বন্তর

দূরে দেখে না যে – অদূরদর্শী

দৃষ্টির অগােচর – অলক্ষ্য

ধন জয় করেছেন যিনি - ধনঞ্জয়

ধর্মের জন্য যে দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়েছে - মােহাজের

ধন-সম্পত্তি আছে যার - ধনী/ধনাঢ্য

ধ্যান করবার যােগ্য – ধ্যেয়

ধন নেই যার - নির্ধন

ধনুকের ধ্বনি – টঙ্কার

ধার আছে যাতে - ধারাল

ধূম উদগিরণ করছে যা - ধূমায়মান

ধূলি ধূসরিত হয়ে যে উৎসব সম্পন্ন হয় – ধূলােট

ধর্মযুদ্ধে যােগদান করে যে – মুজাহিদ

নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার - নশ্বর

নিতান্ত দধ করে যে সময়ে – নিদাঘ

নূপুরের ধ্বনি - নিষ্কণ।

নৌকা দ্বারা জীবিকা অর্জন করে যে – নাবিক/মাঝি

অথবা, নৌকা চালনা করে যে - নাবিক

নদী মাতা যার -

নিশাকালে চরে বেড়ায় যে - নিশাচার

নদীমাতৃক।

নিন্দা করার ইচ্ছা - জুগুপ্সা
নিজেকে যে বড় মনে করে - হামবড়া

নাচে যে মেয়ে - নর্তকী

নাম জানা নেই যার - অজ্ঞাতনামা

নিদ্রায় কাতর যে – নিদ্রাকাতর

নষ্ট হয় না যা – অবিনশ্বর

নির্মাণ করার ইচ্ছা – নির্মিৎসা

নিজেকে যে বিদ্বান মনে করে – বিদ্যমন্য

নিজেকে যে কৃতার্থ মনে করে – কৃতাৰ্থমন্য

নিজেকে যে পণ্ডিত মনে করে – পণ্ডিতম্মন্য

নিরামিষ ভােজন করে যে - নিরামিষভােজী

নিয়ম পরিবর্তিত হচ্ছে যা -পরিবর্তনশীল

নিন্দা করা যায় না যাকে – অনিন্দ্য/অনিন্দনীয়

নিদারুণ মনাে কষ্ট - অন্তর্দাহ

নদী মেখলা যে দেশের – নদীমেখলা

ন্যায় শাস্ত্রে পারদর্শী – নৈয়ায়িক
সাম্প্রতিক প্রশ্নোত্তর//MCQ tes

সাম্প্রতিক প্রশ্নোত্তর//MCQ tes



/

পা হতে মাথা পর্যন্ত – আপাদমস্তক

পান করবার/করার ইচ্ছা - পিপাসা

পাঁচ রকমের জিনিস মিশানাে যাতে - পাঁচমিশালী

প্রথমে মধুর কিন্তু পরিণামে নয় – আপাতমধুর

প্রিয় বাক্য কথা বলে যে নারী - প্রিয়ংবদা

পরের উন্নতি বা শ্ৰী দেখে যে কাতর – পরশ্রীকাতর

প্রাণ পর্যন্ত পণ করে যে – প্রাণপণ

পূর্ব জন্ম স্মরণ করে যে - জাতিস্মর

পঙক্তিতে বসার অযোগ্য/অনুপযুক্ত – অপাঙক্তেয়

পান করা যায় যা - পেয়।

প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে যে – লব্ধপ্রতিষ্ঠ

পুনঃপুনঃ রােদন করেছে যে – রােরুদ্যমান

পুনঃপুনঃ দুলছে যে - দোদুল্যমান

পত্নী গত হয়েছে যার – বিপত্নীক

পূর্বে ছিল এখন নেই – ভূতপূর্ব

পূর্বে ঘটে নি যা – অভূতপূর্ব

পরে জন্মেছে যে - অনুজ

পরিহার করা যায় না যা – অপরিহার্য

পাখির কলরব - কূজন

পরিমিত ব্যয় করে যে – মিতব্যয়ী

পিতার ভ্রাতা – পিতৃব্য

পট আঁকে যে - পটুয়া

পূর্বে যা আস্বাদিত হয় নি – অনাস্বাদিতপূর্ব

পা ধােয়ার পানি – পাদ্য

পতি পুত্রহীন নারী – অবীরা

পরিণাম না ভেবে কাজ করে যে - অপরিণামদর্শী

পার হইতে ইচ্ছুক – তিতীষু

পাণ্ডুর তনয় - পাণ্ডব

পূর্বকাল বিষয়ক – প্রাকুন

পঙ্কে জন্মে যা - পঙ্কজ

পৃথিবীর পুত্র – পার্থ

পর্বতের কন্যা – পার্বতী

প্রাণ যায় তাও স্বীকার করে – প্রাণপণে

পথের সম্বল - পাথেয়

পাপ দূর করে যা - পাপঘ্ন

পরিব্রাজকের বৃত্তি- প্রব্রজ্যা

পক্ষের বিরুদ্ধে - প্রতিপক্ষ

পথ দেখায় যে - প্রথপ্রদর্শক

পরের ছিদ্র অন্বেষণ করে যে - পরছিদ্রান্বেষী

পড়বার উপক্রম হয়েছে যা – পতনােন্মুখ

পরিব্রাজকের ভিক্ষা - পরিব্রজ্য

পত্নীর সাথে/সঙ্গে বর্তমান – সপত্নীক

পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত যে – পরীক্ষার্থী

পূর্বে বশ ছিল না এখন বশ হয়েছে - বশীভূত

পানের অযােগ্য - অপেয়

পরের অন্নে প্রতিপালিত যে – পরানপ্রতিপালিত

পরিতুষ্ট হয়ে যা দেওয়া হয় - পারিতােষিক

পায়ে হেঁটে গমন করে না যে – পন্নগ

পরলােক সম্পর্কিত - পারলৌকিক

ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় – ওষধি

ফুল হতে তৈরি - ফুলেল

 

বীণার ধ্বনি - ঝঙ্কার

ব্যাঙের ছানা - ব্যাঙাচি

বাঘের চামড়া - কৃত্তি

বরণ করার যােগ্য - বরণীয়

বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে যে - উদ্বাস্তুবাস্তুহারা

বিদেশে বাস করে যে - প্রবাসী

বিশ্বজনের হিতকর - বিশ্বজনীন

বেদান্ত জানেন যিনি - বৈদান্তিক

ব্যাকরণ জানেন যিনি - বৈয়াকরণ

বিবাদ করছে যারা - বিবদমান

বিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে গবেষণায় রত বৈজ্ঞানিক।

বয়সে সবচেয়ে বড় যে – জ্যেষ্ঠ

বয়সে সবচেয়ে ছােট যে - কনিষ্ঠ

বাল্যকাল অবধি – আবাল্য

বলা হয়েছে যা - উক্ত

বলা হয় নি যা — অনুক্ত

বিশেষ খ্যাতি আছে যার - বিখ্যাত

বিনা যত্নে উৎপন্ন - অযত্নসম্ভূত

বহুর মধ্যে প্রধান - শ্রেষ্ঠ

বপন করা হয়েছে যা – উপ্ত

বয়সের তুল্য - বয়স্য

বিচার করে কাজ করে না যে – অবিমৃষ্যকারী

বহু গৃহ হতে সংগৃহীত ভিক্ষা - মাধুকরী

বকে হেঁটে চলে যে - উগ/সরীসপ

 বুদ্ধি দিয়ে যারা জীবিকা নির্বাহ করে -বুদ্ধিজীবী

বংশ পরিচয় জানা নেই যার –

বক্তৃতা দানে যিনি পটু - বাগী

বুদ্ধি দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করেন যারা - বুদ্ধিজীবী

বনের পতি বা কর্তা বলে পরিগণিত হবার যোগ্য অতি ।

অজ্ঞাতকুলশীল

বিশাল বৃক্ষ (বট, অশ্বথ) - বনস্পতি

বনে বাস করে যে - বনবাসী

বমন (বমি) করার ইচ্ছা –বিবমিষা

বলার যােগ্য নয় যা - অকথ্য

বলবার ইচ্ছা – বিবক্ষা

বহন করে যে - বাহী/বহনকারী/বাহক

বহুকাল যাবৎ চলে আসছে যা চিরন্তন--

বাক্য ও মনের অতীত – অবাঙমানসগােচর

বারি দান করে যে – বারিদ

বিদেশ হতে আগত - বৈদেশিক

বিনা আয়াসে লাভ করা যায় যা — অনায়াসলভ্য

বিনা যত্নে লাভ করা যায় যা - অযত্নসন্ধুতলন্ধ

বিষ্ণুর উপাসক - বৈষ্ণব

বিহঙ্গের ধ্বনি – কাকলি

বীর সন্তান প্রসব করেন যিনি - বীরপ্রসূ

বীরের (বীরত্বের) ধ্বনি - তুঙ্কার

বুদ্ধের উপাসক – বৌদ্ধ

বন্দনা করবার যােগ্য – ক্য/বন্দনীয়

বৃহৎ অরণ্য - অরণ্যানী

বেশি কথা বলে যে - বাচাল

বেদান্ত জানেন যিনি - বৈদান্তিক

বীজ হতে যা প্রথম বের হয় – অংকুর

বেঁচে থেকেও যে মরে আছে – জীবন্ত

বার মাসের কাহিনী - বারমাস্য

বিশ্বাস করার যােগ্য – বিশ্বাস্য

বর্ণনার ক্রম অনুযায়ী – বর্ণনাক্রমিক

বর্ণচুরি করে যে - বর্ণচোরা

বালকের সহিত - বালাই

বহু কিছু দেখছেন যিনি - বহুদর্শী

যে প্রভা দীর্ঘকাল থাকে না - ক্ষণপ্রভা

বন্দোবস্ত নাই যেখানে - -বন্দোবস্ত

বকের মতাে/ন্যায় ধার্মিক – বকধার্মিক

বাবুর মতাে আচরণ - বাবুয়ানা-বণিতা

 ভিক্ষার অভাব – দুর্ভিক্ষ

ভােজন করতে ইচ্ছুক - বুভুরু

ভােজন করবার ইচ্ছা - বুভুক্ষা/ক্ষুধা

ভেতরে সার নেই যার - অসার

ভূজ বা বাহুতে ভর করে চলে যে - ভুজজাম

ভ্রাতাদের মধ্যে সদ্ভাব - সৌভ্রাত্র

ভদ্র লােকের আচরণ - ভদ্রতা

 ভাঙের নেশা করে যে - ভাঙর

ভ্রমণ করে যে - পর্যটক/ভ্রমণকারী

ভােগ করে যে - ডােগী

ভঙ্গ হয়ে যায় যা - ভঙ্গর

ভবিষ্যতে কি হবে দেখে না যে - অপরিণামদর্শী

ভগিনীর পুত্র - ভাগিনা

ভয়ের লেশ নেই যাতে - ভয়লেশহীন

ভয় প্রদান করে যাতে – ভয়প্রদ

ভূষণাদির শব্দ - শিঞ্জন

ভূত, ভবিষ্যৎ ও বর্তমান জানেন যিনি - ত্রিকালজ্ঞ

ভবিষ্যতে কি হবে দেখে যে - পরিণামদর্শী

ভয় নেই যার - নির্ভীক।।

ভস্মে পরিণত হয়েছে যা -ভস্মীভূত

ভালাে বােঝা যায় না যা - দুর্বোধ্য

ভাসতেছে যা - ভাসমান

ভদ্রলােক যে রকম ব্যবহার করেন - ভদ্রোচিত

ভ্রমরের শব্দ/ধ্বনি – গুঞ্জন

ভূগােল সম্বন্ধীয় - ভৌগােলিক

ভালাে গন্ধ আছে যার – সুগন্ধী

ময়ূরের ডাক (ধ্বনি) - কেকা

মন হরণ করে যা – মনােহর/মনােহারী।

মমতা (মায়া) নেই যার - নির্মম

মমতা (মায়া) আছে যার - অমায়িক

মর্মকে পীড়া দেয় যা – মর্মন্তুদ/মর্মান্তিক

মর্মকে স্পর্শ করে যা – মর্মস্পর্শী

মামলা করতে অভ্যস্ত – মামলাবাজ

মৃতের মত অবস্থা - মুমূর্ষ

মরণ পর্যন্ত - আমরণ

মৃত্যু পর্যন্ত – আমৃত্যু

মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত - মৃন্ময়

মাথা নেয়ার যােগ্য - শিরােধার্য

মাটি ভেদ করে উঠে যা – উদ্ভিদ

মুষ্টি দ্বারা যার পরিমাণ করা যায় – মুষ্টিমেয়

মক্ষিকা (মাছিটি) পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারে না যেখানে – নির্মক্ষিক

মৃত গবাদিপশু ফেলা হয় যেখানে – ভাগাড়

মাটি দিয়ে তৈরি - মেটে

মাটির মতাে রং যার – খাকী/মেটে।

মেঘের শব্দ - মন্দ্র

মাংস ভক্ষণকারী - মাংসাশী

মজার বিষয় আছে যাতে - মজাদার

মশাল বহন করে যে - মশালচী

মনে রাখিবার মতাে - মনঃপুত

মধু পান করে যে - মধুপ

ময়ূরের কণ্ঠের ন্যায় কণ্ঠ যার – ময়ূরকণ্ঠী

মদের নেশা করে - মাতাল

মানুষ যাতায়াত করে না যেখানে - মনুষ্য সমাগমশূন্য

যা হতে পারে না – অসম্ভব

যার অন্য উপায় নেই – অনন্যোপায়

যা দমন করা যায় না - অদম্য

যার জট আছে – জটাধারী

যা কাঠের দ্বারা নির্মিত - কাঠরা

যা পূর্বে ছিল এখন নেই - ভূতপূর্ব

যে নারীর কেশ সুন্দর - সুকেশা

যে নারীর দাঁত সুন্দর – সুদন্তী

যে নারী পূর্বে অপরের বাগদত্তা বা পত্নী ছিল -অন্যপূর্বা

যে নারী দেখতে সুন্দর – সুন্দরী, সুদর্শনা।

যে নারীর স্বামী বিদেশে বাস করে – প্রােষিতভর্তৃকা

যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয় নি - অনন্যা

যে নারী গােপনে প্রিয়জনের সঙ্গে মিলিত হয় – অভিসারিণী

যে নারী চক্ষু (নয়ন) সুন্দর - সুনয়না

যে অন্যদিকে মন দেয় না – অনন্যমনা

যে ভিক্ষা দিয়ে জীবনধারণ করে – ভিক্ষাজীব

যার আকার কুৎসিত – কদাকার

যার এ পর্যন্ত দাড়ি উঠে নি – অজাতশশু

যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ থাকে - জাতিস্মর

যার এ পর্যন্ত শত্রু জন্মে নি – অজাতশত্রু

যিনি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন – লব্ধপ্রতিষ্ঠ

যা সাধারণত দেখা যায় না - অসাধারণ

যা পূর্বে কখনও দেখা যায় নি – অদৃষ্টপূর্ব

যাকে নিন্দা করা যায় না - অনিন্দনীয়/অনিন্দ্য

যা বিনা যত্নে লাভ করা হয়েছে – অযত্নলন্ধ

যা শব্দ করছে – শব্দায়মান

যা পুনঃপুন দুলছে - দোদুল্যমান

যা দীপ্তি পাচ্ছে – দীপ্যমান

যা অন্য ব্যক্তিতে নেই - অনন্যসাধারণ

যা ঘূর্ণিত হচ্ছে – ঘূর্ণায়মান

যা নষ্ট হয় - নশ্বর

যা নষ্ট হয় না – অবিনশ্বর

যে অনবরত রােদন করছে - রােরুদ্যমান

যে বা যা প্রবীণ বা প্রাচীন নয় – অর্বাচীন

যা থেকে ধূম্র উদগিরণ হচ্ছে – ধূমায়মান

যে পরে কি হবে বিবেচনা না করেই কাজ করে – অবিমৃষ্যকারী

যা জলে চরে স্থলেও চরে - উভচর

যা কষ্টে জয় করা যায় - দুর্জয়

যা জলে জন্মে - জলজ

যা কষ্টে লাভ করা যায় - দুর্লভ

যে জয় করে – বিজয়ী

যা কষ্টে নিবারণ করা যায় - দুর্নিবার

যা কষ্টে শাসন করা যায় - দুঃশাসন

যিনি উপন্যাস রচনা করেন ঔপন্যাসিক।

যিনি সর্বত্র গমন করেন - সর্বগ

যে আল্লাহকে বিশ্বাস করে - আস্তিক

যে আল্লাহকে (পরলােকে) বিশ্বাস করে না–নাস্তিক

যা চুষে খাওয়া যায় - চোষ্য

যা চিবিয়ে খাওয়া যায় – চৰ্য্য

যা লেহন করে খাওয়া যায় - লেহ্য

যাহা পান করা যায় - পেয়

যে নারী কখনও সূর্য দেখে নি - অসূর্যস্পশ্যা

যে অপ্রিয় কথা বলে থাকে - অপ্রিয়বাদী/অপ্রিয়ংবদ

যিনি সকল কিছু জানেন - সর্বজ্ঞ

যে মেয়ে প্রিয় কথা বলে - প্রিয়ংবদা

যা লম্বন করা দুরূহ - দুর্লঙ্ঘ্য

যিনি জ্যোতিষ শাস্ত্র জানেন – জ্যোতির্বিদ

যে সকল বস্তু ভক্ষণ করে - সর্বভুক।

যে অপরের পৃষ্ঠপােষকতা করে - পৃষ্ঠপােষক

যিনি যুদ্ধে স্থির থাকেন - যুধিষ্ঠির

যিনি অধিক ব্যয় করেন না – মিতব্যয়ী

যিনি অধিক কথা বলেন না – মিতভাষী

রস আছে যাতে - রসাল

রব শুনে যারা এসেছে - রবাহূত

রস আছে যার - রসিক

রাত্রির প্রথম ভাগ - পূর্বরাত্রি

রাত্রির মধ্য ভাগ - মধ্যরাত্রি

রাত্রির শেষ ভাগ - শেষরাত্রি

রেশম দিয়ে নির্মিত - রেশমী

রীতিকে অতিক্রম না করে - যথারীতি

লাভ করার ইচ্ছা - লিঙ্গ

লেখা যায় যা দ্বারা – লেখনী

লাভ করতে ইচ্ছুক - লিন্দু

লবণাক্ত নয় – আলুনী

লেহন করা হয়েছে যা - গীয়

শত বর্ষের সমাহার - শতাব্দী

শক্তিকে অতিক্রম না করে - যথাশক্তি

শত্রুকে পীড়া দেয় যে – পরন্তপ

শত্রুকে হনন (বধ) করে যে - শত্রুঘ্ন

শত্রু এখনও জন্মায় নি যার - অজাতশত্রু

শত্রুকে (অরিকে দমন করেন যিনি - অরিন্দম

শহরে বাস করে যে বা যিনি - শহুরে

শিক্ষা লাভ করছে যে - শিক্ষার্থী

শিশুর পক্ষে সম্ভবপর যা – শিশুসুলভ

শােভন হৃদয় যার - সুহৃদ

শুভক্ষণে জন্ম যার - ক্ষণজন্মা

শৈশব কাল অবধি - আশৈশব

শ্ৰধার যােগ্য - শ্রদ্ধেয়

শ্রবণ করার অযােগ্য - অশ্রাব্য

শাসন করে যে - শাসক

শিক্ষা করছে যে – শিক্ষানবীশ

শক্তিকে অতিক্রম না করে – যথাশক্তি

শ্রবণ করার ইচ্ছা - শ্রবণেচ্ছা

শ্রবণ করার যােগ্য - শ্রাব্য

সন্তানহীন বিধবা - বেওয়া

সবচেয়ে বড় – জ্যেষ্ঠ

সবচেয়ে ছােট - কনিষ্ঠ

সমগ্র জীবন ধরে – আজীবন

সমান পতি যার – সপত্নীকসপত্নী

সমুদ্র পর্যন্ত - আসমুদ্র

সৎকুল জাত – কুলীন

সত্য কথা বলে যে - সত্যবাদী

সহ্য করা যার স্বভাব - সহিষ্ণু

সেবা করার ইচ্ছা - শুশুষা

সব জানে যে – সবজান্তা

সহজেই ভাঙে যা – ভঙ্গর

সকলের জন্য প্রযােজ্য – সর্বজনীন

সামনে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা - প্রত্যুদগমন

স্ত্রী বশীভূত যে – স্ত্রৈণ

সন্তান প্রসব করে যে – প্রসূতি

স্তন্য পান করে যে - স্তন্যপায়ী

মূলে চরে যে - মূলচর

সমস্ত জীবন ব্যাপী – যাবজ্জীবন

সােনার মতাে রং - সােনালি

সিংহের ডাক গর্জন/ধ্বনি - নাদ

সর্বজন সম্বন্ধীয় (সর্বজনের জন্য অনুষ্ঠিত)

সার্বজনীন
 হাতুড়ে।

হাজির নেই যে – গরহাজির

হয়তাে হবে - সম্ভাব্য

হৃদয়ের প্রীতিকর - হৃদ্য

হাত দিয়ে চিকিৎসা করেন যিনি -

হরিণের চামড়া – অজিন

হাতির ডাক - বৃহুহিত

হনন (হত্যা) করার ইচ্ছা – জিঘাংসা

হাতির চিৎকার – বৃংহিত/বৃংহন

হাট করে যে – হাটুরে

হিরণ্য দ্বারা নির্মিত – হিরন্ময়

হৃদয় বিদীর্ণ করে যা - হূদয়বিদারক

হিসেব নেই যার - বেহিসেবী

হৃদ হয়েছে পুঁজি যার - হৃৎপুঁজি

হিত কামনা/ইচ্ছে করে যে – হিতৈষী

হিরণ দ্বারা শােভিত - হিরন্ময়

হিমালয় থেকে সমুদ্র পর্যন্ত – আসমুদ্রহিমাচল
হিসাব করে চলে যে - হিসাবি

হিসাব করে চলে না যে -বেহিসাবি
 ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে যা – ক্ষীয়মান

ক্ষয় নেই যার - অক্ষয়

ক্ষণকালের জন্য স্থায়ী – ক্ষণস্থায়ী
 

কোন মন্তব্য নেই

Welcome to https://www.tipscyber.com
And Thanks for visiting our website.